জুলাই শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। তাদের আত্মত্যাগের কারণেই আজ আমরা গণতান্ত্রিক পরিবেশে স্বাধীনভাবে দেশ গড়ার সুযোগ পেয়েছি। এই প্রেক্ষাপটে বর্তমান বিএনপি-নেতৃত্বাধীন সরকারের সবার জন্য সমান ও সহজলভ্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার আমাদের অনুপ্রাণিত করে। ক্যান্সারের মতো কঠিন রোগের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এই প্রতিশ্রুতি, মানবিকতা আর একসাথে কাজ করার মনোভাব কতটা জরুরি—তা আমরা প্রতিদিন নতুন করে বুঝি।
সরকারের জনস্বাস্থ্য খাতকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করার লক্ষ্যকে সামনে রেখে NICRH ক্যান্সার প্রতিরোধ থেকে শুরু করে রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা এবং চিকিৎসার পরবর্তী সেবা—সব ক্ষেত্রেই সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। উন্নত প্রযুক্তির পাশাপাশি রোগীদের প্রতি আন্তরিক ও মানবিক আচরণ নিশ্চিত করতে আমরা সবসময় চেষ্টা করি। বিশেষ করে রেডিয়েশন অনকোলজি বিভাগে লিনিয়ার অ্যাক্সিলারেটরের মতো আধুনিক যন্ত্র সংযোজন আমাদের সেবাকে আরও কার্যকর ও মানুষের কাছে সহজ করে তুলেছে।
আমরা চাই NICRH-কে একটি পূর্ণাঙ্গ ক্যান্সার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে, যা একটি সুস্থ বাংলাদেশের স্বপ্নকে বাস্তব রূপ দেবে। সে লক্ষ্যেই চিকিৎসার প্রতিটি ক্ষেত্রে সমান গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। আমাদের দক্ষ ও নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক-চিকিৎসকরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, যাতে দেশের মানুষ বিশেষায়িত ও রোগীকেন্দ্রিক সেবা পেতে পারেন।
আমাদের মূল লক্ষ্য একটাই—ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সব প্রচেষ্টাকে একসাথে এনে একটি কার্যকর ও সমন্বিত উদ্যোগ গড়ে তোলা, যা দেশের মানুষের উপকারে আসবে। এই কাজে যারা নিরলসভাবে যুক্ত আছেন, তাদের আন্তরিকতা ও দলগত প্রচেষ্টা আমাকে সবসময় অনুপ্রাণিত করে। সরকারের সহযোগিতা এবং আমাদের সকল অংশীদারের সমর্থন নিয়ে আমরা সামনে এগিয়ে যেতে চাই। এই পথচলায় যাঁরা পাশে আছেন, তাঁদের সবার প্রতি রইল আন্তরিক কৃতজ্ঞতা।